Most Recent

Bojrokontho 1971 :: Bongobondhu Information & Research Center, Gothenburg, Sweden

একাত্তরে পরাধীনতার শেকল ভাঙ্গার ডাক দিয়েছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালী, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সেই বজ্রকন্ঠের আহবানে জেগে উঠেছিল হাজার বছরের ঘুমন্ত, অবহেলিত, শোষিত বাঙালী প্রতিরোধের সংগ্রামে।

অগ্নি উদগিরণের জ্বালা বুকে নিয়ে আমরা শপথ নিয়েছিলাম মুক্তি সংগ্রামে। যুদ্ধ করেছিলাম পাকিস্তানী স্বৈরশাসন আর তার দোসর প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের বিরুদ্ধে। কালবোশেখীর প্রলয় তান্ডবে, সকল নাগপাশ ছিন্ন করে ছিনিয়ে এনেছিলাম স্বাধীনতার সোনালী সূর্য। মিশে গিয়েছিলাম – কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, এ্যাঙ্গোলা, মোজাম্বিক আর কঙ্গোর মুক্তিপাগল মানুষের সাথে। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত আর তিনলক্ষ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পেলাম নিজস্ব মানচিত্র, পতাকা, আত্মপরিচয়ের ঠিকানা – আমার সোনার বাংলা, বাংলাদেশ।

বজ্রকন্ঠ তাই উৎসর্গ করছি-

আমার মায়ের নামে, বাংলার ধূসর প্রান্তরে যিনি প্রাণ হারিয়েছেন শত্রুর বুলেটে। আমার বোনের নামে, পাকিস্তানী পশুরা যাকে ধর্ষণ করে হত্যা করেছে। বাংলার মুক্তিযোদ্ধার নামে, দেশের স্বাধীনতার জন্য যিনি মৃত্যুবরণ করেছেন, শ্রীমতি গান্ধী, ভারতীয় জনগণ আর মিত্রবাহিনীর বীর সেনানীদের নামে, যাদের রক্তের বন্ধনে আমরা ঋণী। আমার ভাইয়ের নামে, দেশকে, মানুষকে ভালোবাসার অপরাধে যাকে ওরা ফাঁসী দিয়েছে। “ইতিহাসের রাখাল রাজা” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম, যে নাম ধারণ করে বাঙালীর হাজার বছরের স্বপ্ন, যে নাম লালন করে বাঙালী জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র আর ধর্মনিরপেক্ষতা।